Wednesday, 24 December 2014

চারদিনে একশো কোটির ক্লাবে আমিরের ‘পিকে’,চোখে জল অনুষ্কার

 http://www.bollywooduncut.com/wp-content/uploads/2014/12/Aamir-Khans-PK-To-Enter-100-CRORE-CLUB.jpg
নয়াদিল্লিঃ মাত্র চার দিন, এর মধ্যেই আমির খান, অনুষ্কা শর্মা অভিনীত ‘পিকে’ ঢুকে পড়ল একশো কোটির ক্লাবে। চারদিনে পিকে ১১৬.৬৩কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। দর্শকের ‘পিকে’-র প্রতি সমর্থন, উত্সাহ ও ভালবাসা দেখে অভিভূত ছবির নায়িকা অনুষ্কা। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দর্শকের এই আগ্রহ দেখে তাঁর চোখে জল এসে গেছে। তিনি প্রতিটি দর্শককে তাঁর হৃদয়ের একেবারে ভেতর থেকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
গত শুক্রবারই মুক্তি পেয়েছে বিধু বিনোদ চোপড়া প্রযোজিত, আমির খান অভিনীত, রাজকুমার হিরানি পরিচালিত ‘পিকে’। আর ঠিক তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে ‘পিকে’। এই ছবিতে সুশান্ত সিংহ রাজপুত, বোমান ইরানি এবং সঞ্জয় দত্তও অভিনয় করেছেন।

Monday, 22 December 2014

শীতের দাপট রুখে দিল ঘূর্ণাবর্তের মেঘ


http://www.slashdiabetes.com/wp-content/uploads/Winter-Snowman-1.jpgআচমকা কোথা থেকে হাজির একরাশ মেঘ। তা সারাদিন সূর্যের মুখ আড়াল করেই রইল। শীতের মেজাজটা হঠাৎ করে যেন ধাক্কা খেল একটু। পিকনিকে, চিড়িয়াখানায় কিংবা ইকো পার্কে পিঠে রোদ্দুর নিয়ে বসে থাকার মজাটাই যে নেই! পৌষের প্রথম রবিবার দিনের বেলাটা শীত-শীত করলেও, রাতে বেড়ে গেল তাপমাত্রা।
সার্কাস, প্রদর্শনী, মেলা, পার্ক স্ট্রিটের আলোকসজ্জা, বড়দিনের উৎসব সব সাজিয়ে যখন আরও কড়া ঠান্ডার অপেক্ষায় মহানগর, তখন হঠাৎ কেন এই ছন্দপতন?
এ দিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (১৩. ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) দেখে বোঝার উপায় ছিল না বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কী দাঁড়াবে। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা আটটা পেরোলেও যখন সূর্যের মুখ দেখা গেল না, তখনই প্রমাদ গুনলেন শহরবাসী। এক আবহবিদের কথায়, “আকাশে মেঘ থাকায় উত্তুরে হাওয়া ছিল না। তাই সারাদিন শীত-শীত ভাবটা থাকলেও, ঠান্ডার কামড় তেমন ছিল না। বেলা বাড়তেও সূর্য সে ভাবে উত্তাপ দিতে না পারায় কিছুটা ঝিমিয়েই ছিল রবিবারের কলকাতা।”
শীতের মাঝখানে মেঘ এল কোথা থেকে? হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বাংলাদেশে বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং দক্ষিণবঙ্গে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি নিম্নচাপ রেখার জন্যই দক্ষিণবঙ্গে ঢুকেছে মেঘ। সেই মেঘই শীতের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.২ ডিগ্রিতে নেমে যাওয়া এবং তীব্র উত্তুরে হাওয়া পরিমণ্ডলে ঢুকে পড়ার পরে শীত নিয়ে যে আশা জেগেছিল, ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার জন্য আপাতত দু’একদিন তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
যে ভাবে প্রথম দফাতেই ব্যাট চালিয়ে খেলতে শুরু করেছিল শীত, তাতে আশা জেগেছিল কলকাতাবাসীর। কিন্তু জোড়া প্রতিকূলতায় বর্ষশেষে কী হবে, তা নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় উৎসবপ্রেমী বাঙালি।
তবে হাওয়া অফিস কিন্তু আশা জোগাচ্ছে। কাশ্মীরের উপর দিয়ে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা যে ভাবে উত্তর ভারতের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তাতে কড়া ঠান্ডায় কলকাতায় বর্ষশেষের জমজমাট উৎসবের পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছেন আবহবিদেরা। উত্তর ভারত থেকে তীব্র উত্তুরে হাওয়া মধ্য ভারত হয়ে নেমে আসছে। মধ্যপ্রদেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ চলছে। রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানা সর্বত্র কনকনে ঠান্ডা। বাংলাদেশে যে ঘূর্ণাবর্তটি তৈরি হয়েছে, সেটি সাময়িক। বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে যে নিম্নচাপ রেখাটি রয়েছে, সেটির স্থায়িত্বও বেশি দিনের বলে মনে করছেন না তাঁরা।
এক আবহবিদ জানাচ্ছেন, উত্তুরে হাওয়া কোথাও যদি বাধা না পেয়ে সরাসরি দক্ষিণবঙ্গে ঢুকে পড়তে পারে, তা হলে ঘূর্ণাবর্ত, নিম্নচাপ খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে।

Saturday, 20 December 2014

আগের মতোই থাকব, পণ পড়ুয়াদের


http://i.dawn.com/primary/2014/12/549152d6d873b.jpg?r=72066059ত্রাসের রেশ এখনও মেলায়নি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে পেশোয়ারের আর্মি পাবলিক স্কুলের পড়ুয়ারা জানাল, মঙ্গলবারের তালিবানি হামলা তাদের জীবনে প্রভাব ফেলবে না। লেখাপড়া শুরু করবে তারা। খেলাধুলোও চলবে পাশাপাশি। এই হামলায় যে জীবনের কিছু বদলায়নি, তালিবানকে সে বার্তা দিতেই শপথ নিয়েছে জখম শিশুরা।
তবে এর পরেও চিন্তা যাচ্ছে না শাহ মিরের। সেনা স্কুলের এই ছাত্র এখন হাসপাতালে। সেখান থেকেই বলল, “আমার ক্রিকেট টিমের বাকি খেলোয়াড়দের নিয়ে চিন্তা হচ্ছে।” জানাল, সুস্থ হওয়ার পর টিমের ‘পারফরম্যান্স’ ভাল করার দিকে মন দিতে চায় সে। ক্রিকেট যে নাবালক-মনের ক্ষতে মলমের কাজ করতে পারে তা আঁচ করেই আর্মি পাবলিক স্কুল পরিদর্শনের কথা ভেবেছে গোটা পাক ক্রিকেট দল। যে সংস্থা চলতি পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড সিরিজ স্পনসর করছে তার মুখপাত্র জানান, এই সিরিজ যদি পাকিস্তান জেতে, তা হলে ট্রফিটি আর্মি পাবলিক স্কুলের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পাক ক্রিকেট বোর্ডের পাশে দাঁড়াচ্ছেন পাকিস্তানে বসবাসকারী খ্রিস্টানরাও। বড়দিনের উৎসব বন্ধ রাখছেন তাঁরা। তবু সাবধানের মার নেই। সে কারণেই পঞ্জাব প্রদেশের স্কুল ও কলেজগুলিতে শীতের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। জঙ্গি কার্যকলাপে দোষী সাব্যস্তদের ফাঁসিতে ঝোলানোর তোড়জোড় শুরু করেছে পাকিস্তান। শুক্রবার রাতে দু’জনকে ফাঁসিতে ঝোলানোও হয়।
সেনা স্কুলে হামলার মূল চক্রীর নাম জানা গিয়েছে বলে এ দিন দাবি করে পাক প্রশাসন। তারা জানায়, বৃহস্পতিবার তালিবানের ওয়েবসাইটে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়। এক জঙ্গি বলে, “আমাদের মহিলা ও শিশুরা শহিদ হলে তোমাদের সন্তানরাও পার পাবে না।” বক্তার নাম উমর মনসুর। তিন সন্তানের বাবা, ৩৬ বছর বয়সী উমর কট্টর জেহাদি ভাবধারায় বিশ্বাসী, পাক তালিবান প্রধান মোল্লা ফজলুল্লাহ কাছের লোক। হামলার ছক কষা তার পক্ষে অসম্ভব নয় বলে মনে করে সেনাবাহিনী।

টয় ট্রেন বাহনে সান্তা এ বার দার্জিলিঙে


এ যাত্রায় বেঁচে গেল ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ খেতাব। বরং, বড়দিনের মুখে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের জন্য সুখবর, ফের চেনা ছন্দে ফিরতে চলছে ইউনেস্কো-র ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ হিসেবে চিহ্নিত দার্জিলিঙের টয় ট্রেন। ধস, ভূমিকম্পের জন্য টানা চার বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর থেকে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেন চলবে। তাই সান্তা যেন বড়দিনের উপহার নিয়ে টয় ট্রেনেই পৌঁছবেন পাহাড়ে।
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/5/57/Train-toy-final-2-720.jpg
প্রথম দিন শিলিগুড়িতে ছোট্ট অনুষ্ঠানের পর পাহাড়ি পথ বেয়ে শিলিগুড়ি জংশন স্টেশন থেকে টয় ট্রেন পৌঁছবে শৈলশহরে। পরদিন থেকে দু’টি ট্রেন চলাচল করবে। প্রতিদিন সকালে একটি আসবে দার্জিলিং থেকে, অন্যটি যাবে শিলিগুড়ি জংশন থেকে। শুক্রবার এনজেপি স্টেশনের একটি অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়ে দেন উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম অরুণকুমার শর্মা।
ডিআরএম বলেন, “লাইনটি সংস্কারের জন্য প্রায় ১ কোটি টাকা খরচ করেছে রেল।” উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সুগত লাহিড়ির কথায়, ট্রেনের দৈনন্দিন সময়সূচি খুব শীঘ্রই জানানো হবে।
২০১০ সালের জুনে পাগলাঝোরায় ধসে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কের ৫৫০ মিটার এলাকা। ধসের কবলে পড়ে টয় ট্রেনের ন্যারো গেজ লাইনও। পরের বছর সেপ্টেম্বরে ভূমিকম্পে আবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেললাইন। তিনধারিয়া এবং পাগলাঝোরা এলাকায় লাইন উড়ে যায়। মেরামতি শুরু হয়। তবে বিভিন্ন সময়ে পাহাড়ি পথে ভঙ্গুর পাথর ও মাটি ধসে পড়ায় কাজ এগোচ্ছিল না । ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলিতে বাঁক থাকায় তা টিকিয়ে রাখা রীতিমতো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর জাপান-সহ বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তিগত সাহায্য নিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়। রাজ্য ও পাহাড়ের জিটিএ কর্তৃপক্ষের তরফে একাধিক বার কেন্দ্রের কাছে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানানো হয়। ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়ক মেরামতের জন্য ১৭০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়।
এরই মধ্যে টয় ট্রেন বা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা প্রায় মুছতে বসে। ১৯৯৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ওই তকমা পেয়েছিল টয় ট্রেন। বিভিন্ন মহলে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হতেই রেলের তরফে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করে, জাতীয় সড়কটির এক পাশ দিয়ে দ্রুত নতুন করে রেল লাইন বসানো হয়। ৯ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষামূলক ভাবে ট্রেন চালানো শুরু হয়েছে। বড়দিনের দিনই নতুন করে ৮৭ কিলোমিটার পুরনো রুটে চলবে টয় ট্রেন। ২০১৩-এ পাগলাঝোরার বিধ্বস্ত এলাকা ঠিক হওয়ায় দার্জিলিং থেকে গয়াবাড়ি রুটে জয়রাইড শুরু হয়েছিল। একই ভাবে শিলিগুড়ি থেকে রংটং অবধিও চালানো হয়। তবে চা বাগান, জঙ্গল, পাহাড়ের পাকদণ্ডি ঘুরে ঘুম-সোনাদা পেরিয়ে পাহাড় না ছোঁয়া পর্যন্ত অস্বস্তিটা থেকে গিয়েছিল। রাজ্যের পর্যটন দফতরের প্রধান সচিব অজিতরঞ্জন বর্ধনের দাবি “টয় ট্রেন নতুন করে চালু হওয়ায় উত্তরবঙ্গের পর্যটনে জোয়ার আসবে।” anandabazar

isl final: স্পেন বনাম ইংল্যান্ডের ছায়া ফাইনালে


অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায় ■ মুম্বইকাঁচ দিয়ে ঘেরা রুফ টপের সামনে দু’হাত বাড়িয়ে দাঁড়ালে , মনে হবে , সাগর ডাকছে , আয় -আয় -আয় ! প্রেস কনফারেন্স ছেড়ে বেরনোর মুখে আচমকা দাঁড়িয়ে গেলেন ডেভিড জেমস৷ সামনের নীল জলের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন , ‘ওহ ! এক্সেলেন্ট !’ মনে হল , নিলামে নিজের সর্বস্ব খুইয়ে ফেলা মানুষটা হয়তো এক মুহূর্তের জন্য হলেও ভুললেন সব যন্ত্রণা !সে দিকে তাকিয়ে আন্তনিও আবাসও কি খঁুজে পেলেন , ফিকরু বিতর্ক সরিয়ে নতুন দিনের আলো ?আরব সাগরের কোল ঘেঁষে , ৩৪ তলার সুসজ্জিত সেই রুফ টপে পাশাপাশি বসে ছিলেন কেরালার ডেভিড জেমস এবং ইয়ান হিউম৷ মাঝখানে বিশাল ট্রফিটা রাখা৷ ব াঁদিকের দুটো চেয়ারে কলকাতার লুইস গার্সিয়া এবং আন্তনিও আবাস৷
হঠাত্ মনে হল , আচ্ছা , এটা যদি জেমস -আবাস না হলে রয় হজসন এবং দেল বস্কের প্রেস কনেফারেন্স হত ! অথবা মুখোমুখি হতেন লুই ফান হাল এবং লুইস এনরিকে ! ভাবনার পাখি ডালপালা মেললে আইএসএল ফাইনাল তো এক রকম ইংল্যান্ড -স্পেনেরই লড়াই৷
কলকাতা টিমটার দিকে তাকিয়ে দেখুন৷ স্প্যানিশ ফুটবলারের তালিকা লম্বা৷ কোচও তাই৷
কেরালায় তো আবার টিমের দুই কোচই ব্রিটিশ৷ ডেভিড জেমস খোদ ইংল্যান্ডের৷ ট্রেভর মর্গ্যানও ব্রিটিশ জাত অস্ট্রেলিয়ান৷ টিমের ভাইস ক্যাপ্টেন মাইকেল চোপড়া তো আছেনই৷ রয়েছেন দুই স্কটিশ ফুটবলারও৷ কিছু দিন যে স্কটল্যান্ড আর একটু হলে ব্রিটিশদের দখলেই চলে যাচ্ছিল৷ স্কটিশ ডিফেন্ডার জেমি ম্যাকঅ্যালিস্টার অবশ্য চোটের জন্য ফাইনালে নেই৷ তাতে কী৷ স্প্যানিশ আর্মাডার সঙ্গে ইংরেজদের লড়াই তা বলে খাটো হবে কেন ? জেমসকে প্রশ্ন করা হয়েছিল এই লড়াই নিয়ে৷ ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপার বেশ বুদ্ধি করে উত্তরটা দিলেন৷ বললেন , ‘দুটো দেশের ফুটবল স্টাইল আলাদা৷ তবে স্টাইল যাই হোক না কেন , দিনের শেষে খেলাটা কিন্ত্ত একই৷ ফুটবল৷ ’কিন্ত সেই ফুটবল কি ক্রিকেটের শহর মুম্বইয়ে থাবা বসাতে পারল ?৩৪ তলার উপর থেকে মুম্বইয়ের একটা বিশাল অংশ দেখা যায়৷ দেখা যায় , একটু দূরের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম৷ ওখান থেকেই তো গত বছর ব্যাট -প্যাড তুলে রেখেছিলেন ‘ক্রিকেট ঈশ্বর৷ ’ একটা দিনের জন্য হলেও ক্রিকেটের মুম্বইকে দখল করবে ফুটবল এবং সেই দিনটা আজ , শনিবার৷
http://s3.india.com/wp-content/uploads/2014/10/kolkata-vs-kerela-blasters.jpg
সেটা কেন ? উত্তর একটাই৷ ভারতীয় ফুটবলের ম্যাড়ম্যাড়ে উঠোন পেরিয়ে ফাইনাল এখন স্পেন এবং ইংল্যান্ডের ! দেখার সুযোগ মুম্বই ছাড়বে কেন ?তা সেই যুদ্ধের আগে কতটা তৈরি দুটো টিম ?আতলেতি কলকাতা টিমে সেরকম কোনও পরিবর্তন নেই৷ গোয়ার বিরুদ্ধে যে টিম খেলেছিল , সেই টিমই থাকছে৷ আবাসের স্ট্যাটেজিতেও যে বদল আসবে , তা-ও নয়৷ পরে আসতে পারেন বলজিত্৷ সেটা আড়াল করতেও অবশ্য প্রেস বক্সে পর্দা ফেলে দেওয়া হল৷ যাতে সাংবাদিকরা প্র্যাক্টিস না দেখতে পান ! যাবতীয় যেটুকু জল্পনা -কল্পনা , সে তো আগের রাতেই মিটে গিয়েছে৷ ফিকরু টাফেরাকে ভারত থেকেই ফেরত্ পাঠানো হয়েছে৷ তবে ‘ফিকরু কাঁটা’ যে আবাসের গলায় বিঁধে রয়েছে , বোঝা গেল তাঁর মেজাজ দেখেই৷ ফিকরুর চলে যাওয়া কি টিমে প্রভাব ফেলবে ? শুনেই চটে গেলেন কলকাতা কোচ৷ ‘যে নেই তাকে নিয়ে ভেবে লাভ কী ? ওর তো চোট ছিল৷ তা ছাড়া ব্যক্তিগত কাউকে নিয়ে আমি কথা বলতে পছন্দ করি না৷ ’তিনি যতই এড়িয়ে যান , ফিকরু বিতর্ক ফাইনালের আগে ছড়িয়ে পড়েছে কেরল শিবিরেও৷ চেনা সাংবাদিক দেখে কেরলের অনেক ফুটবলারই জিজ্ঞাসা করছিলেন , ‘ফিকরুকে নিয়ে হলটা কী ?’হোটেলের লবিতে আড্ডা মারছিলেন আই এম বিজয়ন৷ কলকাতার সাংবাদিকদের দেখেই মজা করে বলে উঠলেন , ‘আরে ফিকরু নিয়ে প্রশ্ন আছে তো? বলে ফেলুন৷ ’ পরে বলে দিলেন ‘ওকে বাড়ি পাঠিয়ে ভালোই করেছে৷ ওর তো চোট৷ এখানে থাকলেও তো গ্যালারিতেই বসে থাকত৷ ’কেরালা টিমে বরং চোট-আঘাত রয়েছে৷ দুই গোলকিপার ডেভিড জেমস এবং সন্দীপ নন্দী , দু’জনেরই চোট৷ তা নিয়েই নামতে হবে একজনকে৷ ডিফেন্সে গুরবিন্দর নেই৷
সকালে কুপারজের প্র্যাক্টিসে তারপরেও মর্গ্যান বেশ চনমনে৷ কলকাতা -কেরলের লড়াই কিন্ত্ত কলকাতা বনাম কলকাতাও হতে পারে৷ দুটো টিমে মোট ১১ জন রয়েছেন , য াঁরা আইএসএল শেষ হলেই ইস্টবেঙ্গল -মোহনবাগানের জার্সি গায়ে চড়াবেন৷ মর্গ্যান যা নিয়ে সকালে বেশ মজাও করলেন৷
কলকাতা ডার্বি হোক বা স্পেন -ইংল্যান্ড৷ একদিনের জন্য আরব সাগরের তীরে উড়বে ফুটবলের পতাকা৷ আইএসএলের সেরা প্রান্তি বোধহয় এটাই!৷ei samay

এবার মোবাইল ফোনেও ‘বিবিধ ভারতী ’


http://vividhbharti.org/vbh/wp-content/uploads/2014/07/VBS-Logo.png১৯৫৭ সালের কথা৷ আকাশবাণীর বয়স তখন মাত্র তিরিশ বছর হলেও ভারতীয় সংস্কৃতির সে এক রক্ষণশীল অভিভাবক৷ যার চোখ এড়িয়ে চটুল হিন্দি ছায়াছবির গান মোটেই ঢুকতে পারছিল না বেতার বিনোদনের পরিসরে৷ জনমানসে দূষণ ছড়াবার অজুহাতে আকাশবাণী সে সব গান বাজাবার ছাড়পত্র দেয়নি৷ বরং শুদ্ধ সংস্কৃতির বাহক হিসেবে শুরু করা হল আধুনিক লঘু সঙ্গীতের অনুষ্ঠান ‘সুগম সঙ্গীত ’৷
ফলে সাধারণ শ্রোতা আর ভারতীয় বেতারের ভরসায় না থেকে নিজেদের বিনোদনের জন্যে সিলোনের সম্প্রচারকে আপন করে নিয়েছে৷ ঘরে ঘরে বাজছে জনপ্রিয় সব হিন্দি সিনেমার গান৷ বেতার প্রশাসনের মাথায় হাত কিন্ত্ত আকাশবাণীকে রক্ষণশীলতার রাস্তা থেকে নড়ানো গেল না৷ তখন রেডিও সিলোনকে টেক্কা দিতে ভারতীয় বেতারের ছাতার তলাতেই জন্ম নিল নতুন এক চ্যানেল --- অল ইন্ডিয়া ভ্যারাইটি প্রোগ্রাম অব লাইট মিউজিক , সংক্ষেপে ‘বিবিধ ভারতী ’৷
১৯৫৭ -র ৩ অক্টোবর মুম্বইতে তার পর চেন্নাইতে একটি করে ১০০ কিলোওয়াট শর্টওয়েভ ট্রান্সমিটার বসানো হল৷ এই সম্প্রচারের কিছুটা সময় বরাদ্দ ছিল পাকিস্তান , বাংলাদেশ , পূর্ব-এশিয়া ও আফ্রিকার আন্তর্দেশীয় শ্রোতাদের জন্য আর বাকি সময় সম্প্রচার হত দেশের বিভিন্ন বেতারকেন্দ্রের শ্রোতাদের জন্য৷ গোড়া থেকেই অসম্ভব জনপ্রিয় হল বিবিধ ভারতী৷ ১৯৬৭ -র নভেম্বর থেকে বিজ্ঞাপন আসাও শুরু হল সেখানে৷ সিনেমার গান ছাড়াও লঘু সঙ্গীত ও লোকসঙ্গীতের অজস্র অনুষ্ঠান , যন্ত্রসঙ্গীত এবং অর্কেস্ট্রার বৈচিত্র , সপরিবারে শোনার মতো নাটক , ছোটোগল্প , কুইজ এবং ‘হাওয়ামহল ’ জাতীয় হাসির নাটিকা বা ‘স্কিট ’ ‘বিবিধ ভারতী ’কে দারুণ জনপ্রিয়তা এনে দিল৷ দেশজুড়ে তখন ১ কিলোওয়াট -এর মিডিয়াম ওয়েভ ট্রান্সমিটার লাগানো হল এই অনুষ্ঠানকে দেশের ছোটো ছোটো কেন্দ্রগুলিতে ছড়িয়ে দেবার জন্য৷ আকাশবাণী কলকাতা ‘বিবিধ ভারতী ’ সম্প্রচারের আওতায় এল ১৫ অগস্ট ১৯৬০ থেকে৷ তৈরি হল দু’টি ১০ কিলোওয়াট মিডিয়াম ওয়েভ ট্রান্সমিটার (১৩২৩ কিলোহাত্র্‌জ )৷
সুবর্ণ জয়ন্তী পার করা ‘বিবিধ ভারতী ’-কলকাতা -র পরের লক্ষ্য আধুনিক উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে শ্রোতার শ্রবণসীমার আরও কাছাকাছি পৌঁছন৷ এখন ‘বিবিধ ভারতী ’ শোনা যাবে মোবাইল ফোনেও৷ এর এফ এম ট্রান্সমিটার প্রতি দিন মোট ১৫ ঘণ্টা ২০ মিনিটের বর্ণময় অনুষ্ঠান পৌঁছে দেবে শ্রোতাদের কাছে৷ অনুষ্ঠান শোনা যাবে পুরো কলকাতা , দুই চব্বিশ পরগনা , হাওড়া , হুগলি , দক্ষিণ নদিয়া , বর্ধমানের ২৫ শতাংশ এলাকা এবং পূর্ব-মেদিনীপুর থেকেও৷ আগামী ২৬ ডিসেম্বর , বেলা তিনটের সময়ে প্রসার ভারতীর চিফ একজিকিউটিভ অফিসার জহর সরকার আকাশবাণী ভবনে ‘বিবিধ ভারতী ’--- কলকাতা ’র এই নতুন ট্রান্সমিটারটির উদ্বোধন করবেন৷ei samay

আর নামবে না পারদ


http://meteorogie-tpe.e-monsite.com/medias/images/7912602-thermometre-1-1.jpgবৃহস্পতিবারের ১৩ .২ ডিগ্রির পরই একলাফে ১৪ .৬ ডিগ্রিতে উঠে গেল পারদ৷ আজ , শনিবারও তাপমাত্রা নীচে নামার সম্ভাবনা কম৷ বরং , তা ১৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে বলেই পূর্বাভাস৷ আবহবিদরা বলছেন , শীত থাকবে৷ তবে ঠান্ডার কামড় কিছুটা কমবে৷ হিমেল হাওয়ার কী হল হঠাত্ ? আলিপুর আবহাওয়া দন্তরের অধিকর্তা গোকুলচন্দ্র দেবনাথ বলেন , ‘উত্তর ভারত থেকে ঠান্ডা হাওয়া ঠিকই আসছে৷ তাই বিহার , ঝাড়খণ্ডে ঠান্ডার দাপট বাড়ছে৷ কিন্ত্ত বায়ুপ্রবাহের অভিমুখ কিছুটা বদলে যাওয়ায় হিমেল হাওয়া আগের গতিতে ঢুকতে পারছে না৷ সে কারণে আপাতত আর ঠান্ডা বাড়ার সম্ভাবনা নেই৷ ’ বাতাসে যথেষ্ট জলীয় বাষ্প থাকায় সকালের দিকে কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে৷ ei samay

নাম পাল্টে করা যাবে ট্রেনযাত্রা

২৪ ঘণ্টা আগে করতে হবে লিখিত আবেদন , নয়া সিদ্ধান্ত রেলের


কসবার সিদ্ধার্থ রায় দিল্লিতে নিকটাত্মীয়ের বিয়েতে হাজির থাকার জন্য পূর্ব এক্সপ্রেসে স্লিপার ক্লাসে টিকিট বুক করেছিলেন অনেক আগেই৷ হঠাত্ রওনা দেওয়ার দু’দিন আগে অফিসের বস জানালেন , ওই সময় টানা দু’দিন জরুরি মিটিঁং -এ তাঁকে থাকতেই হবে৷ তা হলে বাড়ি থেকে আর কে যাবে দিল্লি ? অথচ সেখানে কেউ না গেলেই নয়৷ ভাই ব্যবসার কাজে ব্যস্ত৷ বাবারও বয়স হয়েছে৷ সব শুনে ভাই বলল , সে দিন দুয়েকের ছুটি ম্যানেজ করতে পারবে৷ কিন্ত্ত শেষ মুহূর্তে টিকিট পাবে কোথায় ? বেশি টাকা খরচ করার মতো অবস্থাও নেই তাদের৷
http://www.ranklogos.com/wp-content/uploads/2012/08/Indian-Railway_Logo1.jpgঅথৈ জলে পড়েছিলেন হাওড়ার সৈকত দত্ত৷ অসুস্থ শ্বশুরকে নিয়ে শ্যালক ভেলোর গিয়েছে৷ চারদিন পর তিনিও সেখানে যাবেন বলে শ্যালককে আশ্বস্ত করেছিলেন৷ সেইমতো ট্রেনে টিকিট রিজার্ভ করেছিলেন৷ কিন্ত্ত যাওয়ার দু’দিন আগে জ্বরে পড়লেন৷ অফিসে ছুটি নিয়ে তার স্ত্রী বাবার কাছে যাওয়ার জন্য টিকিট জোগাড় করতে গিয়ে খালি হাতে ফিরলেন৷
এ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়৷ রেলে টিকিট বুক করে অনেককেই শেষ মুহূর্তে নানা কারণে তা বাতিল করতে হয়৷ অথচ অফিস বা পারিবারিক কারণে তাদের দিল্লি , ভেলোর বা অন্য কোন গন্তব্যে অবশ্যই যাওয়া উচিত ছিল৷ কোনও সহকর্মী বা পরিবারের কেউ যেতে চাইলেও টিকিট নেই৷ যাত্রীদের এই সমস্যা মেটাতে এবার নতুন সিদ্ধান্ত নিল রেল মন্ত্রক৷ এর পর এই ধরনের সমস্যায় পড়লে যাত্রীরা তাদের নামে সংরক্ষিত টিকিট পরিবারের অন্যের নামে পরিবর্তন করতে পারবেন৷ সেক্ষেত্রে দু’জনের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক থাকতে হবে৷ অর্থাত্ যাঁর নামে আসন সংরক্ষিত আছে , সেই টিকিটে নাম পরিবর্তন করে বাবা , মা , ভাই , বোন , ছেলে , মেয়ে , স্বামী বা স্ত্রী সফর করতে পারবেন৷ ভারতীয় রেলের ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞন্তিও দেওয়া হয়েছে৷ সেখানে বলা হয়েছে , গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের চিফ রিজার্ভেশন সুপারভাইজারকেই এ ব্যাপারে চড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে রেল প্রশাসন৷
বিজ্ঞন্তি অনুযায়ী , যাত্রী যদি সরকারি কর্মচারী হন , অফিসের কাজে কোথাও যাওয়ার জন্য টিকিট বুক করে পরে তা সহকর্মীর নামে পরিবর্তন করতে পারবেন৷ তবে সেক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়ার অন্তত ২৪ ঘণ্টা ওই যাত্রীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে রেল প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করতে হবে৷ সাধারণ যাত্রীকেও একই নিয়ম মানতে হবে৷ ছাত্রছাত্রীর গ্রুপ , ম্যারেজ পার্টি বা এনসিসি দলের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা গ্রুপের প্রধানকে ট্রেন ছাড়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে রেলের সংশ্লিষ্ট দন্তরের আধিকারিককে নির্দিষ্ট সদস্যের নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে হবে৷ তবে একবার আবেদনের পর আর আবেদন করা যাবে না৷ আর গ্রুপের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ সদস্যের বেশি নাম বদলানো যাবে না৷ রেল বিভাগের ডিআইজি (পিআর ) অনিল সাক্সেনা শুক্রবার দিল্লি থেকে ফোনে বলেন , ‘যাত্রীদের সমস্যার কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে৷ নাম পরিবর্তনের কাজ বেশ কিছুকাল আগে শুরু হলেও সাধারণ মানুষ হয়তো জানে না৷ তবে নাম পরিবর্তনের সব আবেদনই অবশ্য স্টেশনের চিফ রিজার্ভেশন সুপারভাইজারের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে৷

নতুন সাজে সাজছে বাগডোগরা বিমানবন্দর


http://www.darjeeling-tourism.com/darj_i000209.jpgদেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে ক্রমশ বাড়ছে বাগডোগরা বিমানবন্দরের গুরুত্ব। তাই বিমানবন্দরকে ঢেলে সাজাতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। আগামী বছরের ডিসেম্বর থেকে চালু হবে রাতে বিমান পরিষেবাও।
রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর বাগডোগরা। তবে এই বিমানবন্দরের পরিকাঠানো নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। তাই বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণ নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। তৈরি হবে নতুন টার্মিনাল ও অপারেশন বিল্ডিং। এজন্য প্রয়োজনীয় জমি দেবে রাজ্য সরকার। তৈরি হয়ে গিয়েছে মাস্টার প্ল্যানও।
বাগডোগরা বিমানবন্দরে রাতে বিমান পরিষেবা চালু করার দাবি বহুদিনের। কিন্তু পরিকাঠামোর অভাবে তা শুরু করা যাচ্ছিল না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রাতে বিমান ওঠানামার জন্য বসানো হবে এয়ারফোর্স অ্যাপ্রোচ লাইট এবং ইনস্ট্রুমেন্টাল ল্যান্ডিং সিস্টেম। সব কিছু ঠিক ঠাক চললে আগামী বছরের ডিসেম্বর থেকেই শুরু হবে এই পরিষেবা।
এছাড়াও চারশো স্কোয়ার মিটারের একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনালও গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া।

৪ ঘণ্টায় বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই পৌঁছল ২ বছরের শিশুর হৃৎপিণ্ড


http://media.newindianexpress.com/Ambulance.jpg/2013/09/16/article1786009.ece/alternates/w620/Ambulance.jpgচেন্নাই: এদিন সকালেই বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় ২ বছরের ছেলেটির। তারপর চার ঘণ্টার দৌড়। দৌড় অন্য আর এক শৈশবের মুখে হাসি ফোটানোর। মৃত শিশুর হৃদপিণ্ড একটি বিশেষ বিমানে করে বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই পৌঁছল। সেখানেই এক শিশুর দেহে প্রতিস্থাপিত হয় হৃদপিণ্ডটি। আর এই গোটা ঘটনাটি ঘটে ৪ ঘণ্টার মধ্যে।
তবে এক শহর থেকে আর এক শহরে হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপনের নজির গড়ার দৌড়টাও ছিল বেশ কঠিন। ২৫ জন বিশেষজ্ঞের একটি বিশেষ দল সকালে বেঙ্গালুরু থেকে রওনা হন। চেন্নাই বিমান বন্দর পৌঁছে সড়ক পথে বেসরকারি হাসপাতাল। পথের সমস্ত ট্রাফিক সিগনাল সবুজ করে দেওয়া হয়। অ্যাম্বুলেন্সটি যাতে কোনও বাধা না পায়, তার বিশেষ ব্যবস্থা করেছিল চেন্নাই ট্রাফিক পুলিসই। 24 ghanta

ধূমপানে জরিমানা, হাওড়া পুলিশের ঘরে ২৫ হাজার


http://medimoon.com/wp-content/uploads/2014/03/Smoking-in-Public-places.jpgকি, জনসমক্ষে ধূমপান করছেন নাকি? সাবধান৷ আশপাশে পুলিশ নেই তো? আপনাকে ধূমপান করতে দেখলেই পুলিশ কিন্তু যে কোনও সময় এসে জরিমানা করতে পারে আপনাকে৷ ‘গচ্চা' যাবে ২০০ টাকা৷ 
হাওড়া সিটি পুলিশ হাওড়া সদর এলাকাকে বছর দুয়েকের মধ্যেই ‘ধূমপানহীন এলাকা' করতে উদ্যোগী হয়েছে৷ সেই উদ্যোগেই মাঝেমধ্যে বড় ধরনের অভিযান চালাচেছ তারা৷  গত ৭ ডিসেম্বর একসঙ্গে সবক'টি থানা অভিযান চালিয়ে জরিমানা বাবদ আদায় করে প্রায় ২৫ হাজার টাকা৷ 

পুলিশ জানিয়েছে, কিছুদিন আগে এক বেসরকারি সংস্থা হাওড়ার সদর এলাকার ১১টি থানার ইন্সপেক্টরদের নিয়ে এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান করে৷ অনুষ্ঠানে ধূমপান বিরোধী আইন ‘কোতপা' (সিগারেটস অ্যান্ড আদারস টোব্যাকো প্রোডাক্টস অ্যাক্ট, ২০০3) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়৷ সেই আইন অনুযায়ী পুলিশ  হাওড়ার বেশ কয়েকটি সরকারি, বেসরকারি অফিস, হাসপাতাল-সহ বিভিন্ন্ এলাকায় পোস্টারিং করে বা নোটিস পাঠায়৷ পুলিশ জানিয়েছে, এই আইন অনুযায়ী বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েও ধূমপান করা বেআইনি৷ গত ৭ তারিখ, হাওড়া আদালতের সামনে, হাওড়া হাসপাতালে যাঁরা ধূমপান করেছেন তাঁদের প্রত্যেককে স্পট ফাইন করা হয়েছে৷ ওই দিন প্রতিটি থানা এলাকায় এই ধরনের অভিযান চালানো হয়৷ এ ক্ষেত্রে সাব-ইন্সপেক্টর স্তরের আধিকারিকরা  প্রমাণ স্বরূপ নিজের মোবাইলে বা পকেট ক্যামেরায় ধূমপায়ীর ছবি তুলে রাখছেন৷ তারপর সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের জরিমানা করছেন, দেওয়া হচেছ পাকা রসিদও৷ তবে, রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে বা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাওয়ার সময় ধূমপান করলে পুলিশ ধরবে না বলে জানানো হয়েছে৷ 

পুলিশ সচেতনতামূলক প্রচার অভিযান চালাচ্ছে বিভিন্ন্ কলেজ, অফিসে৷ এ ভাবে কি প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধ করা সম্ভব? নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক জানান, "দশ বছর আগেও কিন্তু ট্রেনে, বাসে যাত্রীরা ধূমপান করতেন৷ এখন সেই দৃশ্য প্রায় বিরল৷ কঠোর আইন হলে এবং মানুষ সচেতন হলে সম্ভব৷" তথ্য বলছে, ধূমপানের জেরে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হন ৪০ শতাংশ মানুষ৷ ১৫ বছর বা তার নিচের ১৪ শতাংশ কিশোর ধূমপানে আসক্ত৷ তাই ধূমপানের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২৫ বছর করে দেওয়ার ভাবনা-চিন্তা করছে সরকার৷pratidin

লকভির জামিন প্রসঙ্গে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির


http://newstrack.outlookindia.com/images/modi2_20141210_1_2.jpgনয়াদিল্লিঃ বৃহস্পতিবারই পাকিস্তানের এক সন্ত্রাসবাদ দমন আদালত ২৬/১১-র হামলার মূল চক্রী জাকিউর রহমান লকভির জামিনের আর্জি মঞ্জুর করে। এরপরই সমালোচনার ঝড় ওঠে সীমান্তের এপাড়ে। তারপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় লকভি আপাতত জামিন পেলেও তাকে এখনই জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হবে না। পরে নতুন মামলা রুজু করে তাকে ফের হেফাজতে নেয় পাকিস্তান পুলিশ। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ভারত পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় তাঁদের এবিষয় কি মনোভাব জানিয়েও দিয়েছে, সংসদে দাঁড়িয়ে আজ একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া পেশোয়ারে সেনা স্কুলে জঙ্গি হামলার পর, লকভিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া, ভারত এবং গোটা বিশ্বের কাছেই মারাত্মক বিষ্ময়কর, মন্তব্য মোদির। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, পাকিস্তানের আদলতের এই রায় শুধু দুর্ভাগ্যজনক নয়, নিন্দনীয়ও বটে, কারণ এখনও সারা দুনিয়ার কাছে পেশোয়ারের স্কুলে নিষ্পাপ শিশুদের হত্যালীলার স্মৃতি তরতাজা।সেদিন সীমান্তের এপাড়েও প্রতিটা মানুষ কেঁদেছিল সেই খুদে পড়ুয়াদের নিথর দেহ দেখে।
এবিষয় ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ জানিয়েছেন, লকভিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তান নিজেদেরই বিশ্বদরবারে হাস্যকর করে দিয়েছে। জঙ্গি দমনের যে প্রক্রিয়া তারা শুরু করেছে বলে বিশ্বের কাছে ঘোষণা করেছে, তাই এখন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে। লকভির সঙ্গে ২৬/১১-র হামলার যে যোগ রয়েছে, সেবিষয় কোথাও কোনও বিতর্ক নেই, দাবি, বিদেশমন্ত্রীর। abp ananda