দাম
বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে৷ কিন্ত্ত কেবলের পরিষেবা নিয়ে অসন্তোষ যাচেছ না
গ্রাহকদের৷ কলকাতা ও শহরতলিতে কেবল টিভির গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ৷
তাঁদের অধিকাংশেরই পরিষেবা নিয়ে নানা অভিযোগ জমা পড়ছে এমএসও-দের কাছে৷
কিন্ত্ত সুরাহা মিলছে না৷ আগামী মাস থেকে কেবল দেখতে গ্রাহকদের ন্যূনতম ১৮০
টাকার বদলে ২০৫ টাকা দিতে হবে৷ আগামী বছর সেই দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা৷
কেবল টিভি-র উপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ এখন বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত কড়ি গুনলেও
পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ জমা পড়ছে ঝুড়ি ঝুড়ি৷ কখনও মাসে বিল পেমেণ্ট করেও
অনুষ্ঠান দেখার মাঝেই চলে আসছে বিল বক্স৷ সেখানে লেখা থাকছে অবিলম্বে কেবল
অপারেটরকে টাকা জমা দিতে৷ কিন্ত্ত দর্শকদের দাবি, তাঁরা নিয়মিত বিল জমা
দিচ্ছেন৷ তা সত্ত্বেও সেই লেখা টিভি চলাকালীন সি্নে ভেসে ওঠে৷
চলতি মাস থেকেই কলকাতা ও শহরতলিতে কেবল দেখতে দিতে হবে ন্যূনতম ১০০ টাকা,
২০৫ টাকা, ২৬৫ টাকা, ৩২৫ টাকা৷ এর উপর যোগ হবে ট্যাক্স৷ ১০০ টাকায় দেখা
যাবে ফ্রি-টু-এয়ার চ্যানেলগুলি৷ গ্রাহকদের দাবি দাম যেভাবে বাড়ছে সেই
তুলনায় পরিষেবার কোনও উন্নতি হচ্ছে না৷ বিভিন্ন পে-চ্যানেলগুলিতে ছবি
মাঝেমধ্যেই কেটে যায়৷ অনেক সময়ই পুরোপুরি কালো হয়ে যায় টিভি স্ক্রিন ৷ কখনও
কখনও কয়েক ঘণ্টা ধরে এই সমস্যা চলে৷ শুধু ছবি নয়, সাউন্ড-ও ফেটে
যায়৷ সঙ্গে থাকে বিজ্ঞাপনের উপদ্রব৷ পে-চ্যানেলগুলিতে নিয়ম অনুযায়ী ঘণ্টায়
১২ মিনিট বিজ্ঞাপন দেখানো যায়৷ কিন্ত্ত এই নিয়মকে থোড়াই কেয়ার এমএসওদের৷
ফলে টিভি দেখতে বসে অনুষ্ঠানের মাঝে বিজ্ঞাপনের বহরে নাজেহাল হন দর্শকরা৷
এছাড়াও দর্শকদের একাংশের দাবি, তাঁরা মাসিক বিল মেটানোর পরও কেবল
অপারেটররা বিলের রসিদ দেন না৷ এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা৷ সেট টপ বক্স বা কেবলে
কোনও সমস্যা হলে অপারেটররা বাড়িতে লোক পাঠান না৷ দাম যেখানে এত টাকা
বাড়াছে কেবলের, সেখানে পরিষেবা আদৌ ভাল হবে কি-না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায়
গ্রাহকরা৷ কেবল অপারেটর্স সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব ভট্টাচার্য
জানিয়েছেন, "এই ভাবে কেবলের প্যাকেজের দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন
চালিয়ে যাব৷ এমএসও-রা ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার জন্য বিল দেন না৷ ফলে কেবল
অপারেটররাও বিলের রসিদ পান না৷ এমএসও-রা টাকা জমা না দেওয়াতেই মাঝে মধ্যে
টিভি সি্নে টাকা জমা না পড়ার সিগন্যাল যায়৷" অন্যদিকে মন্থন কেবল সংস্হার
কর্ণধার সুদীপ ঘোষ বলেন, "আমাদের নেটওয়ার্কের এই সমস্যা খুব একটা হয় না৷
আমাদের তরফে যতটা পারা যায় ভাল পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়৷" সিটি কেবলের
কর্ণধার সুরেশ শেঠিয়া বলেন, "নভেম্বর থেকেই নতুন দাম ধার্য হয়ে গিয়েছে৷
কেবল অপারেটররা এমএসওদের কাছে সঠিক সময় টাকা জমা না দিলে সি্নে বক্স করে
সতর্ক করা হয় গ্রাহকদের৷ কেবল অপারেটরদের গড়িমসিতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে৷ PRATIDIN
No comments:
Post a Comment