The Journal of Neuroscience এ প্রকাশিত এক গবেষণায় এদের ব্যাপারে জানা যায়। গবেষকেরা মানব ভ্রুন থেকে গ্লিয়াল সেল গ্রহণ করে বাচ্চা ইঁদুরের মস্তিষ্কে এগুলো প্রবেশ করান। গ্লিয়াল সেল এমন এক ধরণের কোষ যারা স্নায়ুতন্ত্র তৈরি করতে সাহায্য করে। এসব গ্লিয়াল সেল ইঁদুরের মস্তিষ্কে অ্যাস্ট্রোসাইট কোষে রূপান্তরিত হয়। এক বছরের মাথায় এসব অ্যাস্ট্রোসাইট সংখ্যায় এত বেড়ে যায় যে ইঁদুরের মস্তিষ্কের কোষকে তারা প্রতিস্থাপিত করে ফেলে। শুধুমাত্র স্থানের অভাবে তাদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।
এসব অ্যাস্ট্রোসাইট ইঁদুরের স্নায়ুকোষের চাইতে অনেক ভালোভাবে কাজ করতে সক্ষম। এ কারণে প্রাণীগুলোর মস্তিষ্ক উন্নত হয় বটে কিন্তু তারমানে এই না যে তাদের মাঝে মানুষের বৈশিষ্ট্য দেখা যাবে।
মানুষের মাঝে এসব কোষ যেভাবে কাজ করে, ইঁদুরের মাঝেও সেভাবে কাজ করছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন গবেষকেরা। তবে এটা দেখা যায় যে তাদের স্মৃতিশক্তি অন্যান্য ইঁদুরের তুলনায় প্রায় চার গুন বেশি উন্নত।
No comments:
Post a Comment