ট্রাক বাসের এই সকল পরিত্যাক্ত টায়ার থেকে
সাশ্রয়ী মূল্যের “গ্রীন অয়েল” নামক নবীকরনযোগ্য পরিবেশ বান্ধব বিকল্প
জ্বালানি তেল উৎপাদন করে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব।
বৈজ্ঞানিকভাবে অবাতজারন পদ্ধতি নামক একটি
বিশেষ তাপ-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে বিশেষভাবে নির্মিত
রি-এ্যাক্টর চেম্বারে বায়ুশূন্য মাধ্যমে বিশেষ তাপমাত্রায় বর্জ্য রাবারকে
গলিয়ে বাষ্পে পরিনত করে এবং উক্ত বাষ্পকে কনডেনসার বা শীতলীকারক ব্যবহার
করে তরলে পরিনত করে এই “গ্রীন অয়েল” উৎপাদন করা হয়, যা সম্পূর্ণভাবে পরিবেশ
ও প্রকৃতিবান্ধব আধুনিক প্রযুক্তিতে উৎপাদন করা হয়।
উৎপাদিত এই তেলের মান আমদানীকৃত ফার্নেস
ওয়েলের চেয়ে ভালো। গ্যাস সংকটের কারনে যে সকল কারখানার মালিকগন উচ্চ
মূল্যের ফার্নেস ওয়েল ব্যবহার করছেন তারা এই “গ্রীন অয়েল” নামক সাশ্রয়ী
মূল্যের জ্বালানি ক্রয় করে তাদের পন্যের উৎপাদন খরচ কমাতে পারেন।
আমদানীকৃত ফার্নেস ওয়েল ভিত্তিক বিদ্যূৎ
উৎপাদন কেন্দ্রে সাশ্রয়ী মূল্যের নবায়নযোগ্য জ্বালানি “গ্রীন অয়েল” ব্যবহার
করে বিদ্যূৎ উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব হবে, সেই সাথে মূল্যবান বৈদেশিক
মুদ্রাও বাঁচানো সম্ভব হবে।
গত দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে উন্নত বিশ্বের
দেশগুলোতে এই প্রযুক্তিটি নিয়ে ব্যাপকভাবে গবেষনা হয়েছে এবং বর্তমানে এটি
বিভিন্ন দেশে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে।
“গ্রীন অয়েল” উৎপাদনের লক্ষ্যে ভারতে
প্রায় ১৬০০ টি ও গণচীনে প্রায় ২২৫০ টি প্লান্ট স্থাপিত হয়েছে।ইটের ভাটায় অবৈধভাবে টায়ার পোড়ানোর ফলে
সৃষ্ট ভয়াবহ দূষন হইতে পরিবেশ রক্ষায় এবং চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায়
“গ্রীন ওয়েল” উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ কার্যকর অবদান রাখতে পারবে বলে এর
উদ্যোক্তাগন মনে করেন।
No comments:
Post a Comment