কী ভাবে সম্ভব হবে এটা? এই ওষুধ ঠিক রোগ সারানোর কাজ করবে না। রোগ যাতে বিশেষ প্রভাব ফেলতে না পারে তার ব্যবস্থা করবে। মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির ডঃ ম্যাক্সিম স্কুলাচেভ জানিয়েছেন, 'আমরা গত এক দশক ধরে ইঁদুর, কুকুর, মাছ এবং মাছিদের উপর বিভিন্ন পর্যায়ে এই ওযুধ প্রযোগ করে দেখেছি। এবং তাতে বেশ সারাও মিলেছে। এই ওযুধটি আসলে একটি নতুন ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যা মানব দেহের মাইটোকনড্রিয়ার উপর প্রভাব ফেলে। যার ফলে বার্ধক্যকে বেশ খানিকটা পিছিয়ে দেয়।'
তিনি আরও জানিয়েছে, মাইটোকনড্রিয়ার প্রভাবেই বিভিন্ন রোগ যেমন হৃদযন্ত্র বিকল হওয়া, অ্যালঝাইমার্স, পারকিনসন্স প্রভৃতি হয়ে থাকে। পূর্ব আফ্রিকায় এক দরনের ইঁদুর রয়েছে যারা মাইটোকনড্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকে। এমনকি এই প্রজাতির ইঁদুরকে ক্যান্সারও কাবু করতে পারে না। সেখান থেকেই এই ধারণা পাওয়া গিয়েছে। তার পর সেই অনুযায়ী গবেষণা চালিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। তাঁর কথায়, 'হয়তো ৮০০-৯০০ বছর বাঁচা সম্ভব নয়। তবে ১২০ পর্যন্ত বেশ ভালো ভাবেই বাঁচা সম্ভব হবে। আর সব থেকে বড় কথা, বেঁচে থাকাকালীন কোনও রোগ বিশেষ কাবু করতে পারবে না। ওষুধটির কাজই হবে বার্ধক্যকে পিছিয়ে দেওয়া। যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে। আর তাতেই বেশি দিন বাঁচা সম্ভব হবে।'
No comments:
Post a Comment