
মানুষের সঠিক আচরণ বুঝতে গবেষকেরা অনলাইন ও
অফলাইনে মানুষের আচরণ-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। ডাটা মাইনিং
পদ্ধতিতে ফেসবুক ও টুইটারের তথ্য বিশ্লেষণ করে তাঁরা দেখেছেন যে, এসব তথ্য
থেকে মানুষের আচরণ সম্পর্কে ধারণা করা মারাত্মক ভুল হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নিয়ে এখন প্রতিবছর হাজারও গবেষণাপত্র তৈরি হয়। গবেষকেদের সাম্প্রতিক এই গবেষণার ফল তাই এ ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এ গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।
কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড্রেক রুথস এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগের মিডিয়া নিয়ে গবেষণাকালে সার্বজনিকভাবে সহজলভ্য তথ্যের ব্যবহার ওই সাইটের মোট তথ্যের আসল রূপ দেখাতে পারে না। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট যখন তাদের তথ্য ফিল্টার করে, তখন গবেষকেরা ওই সাইট সম্পর্কে সঠিক চিত্র ধরতে ব্যর্থ হন। অনেক সময় স্প্যামার বা সফটওয়্যার থেকে আসা তথ্যও সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে মানুষের আচরণ বিশ্লেষণে ব্যবহার করা হয়। এবং এতে মানুষের আচরণ সম্পর্কে ভুল পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নিয়ে এখন প্রতিবছর হাজারও গবেষণাপত্র তৈরি হয়। গবেষকেদের সাম্প্রতিক এই গবেষণার ফল তাই এ ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এ গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।
কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড্রেক রুথস এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগের মিডিয়া নিয়ে গবেষণাকালে সার্বজনিকভাবে সহজলভ্য তথ্যের ব্যবহার ওই সাইটের মোট তথ্যের আসল রূপ দেখাতে পারে না। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট যখন তাদের তথ্য ফিল্টার করে, তখন গবেষকেরা ওই সাইট সম্পর্কে সঠিক চিত্র ধরতে ব্যর্থ হন। অনেক সময় স্প্যামার বা সফটওয়্যার থেকে আসা তথ্যও সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে মানুষের আচরণ বিশ্লেষণে ব্যবহার করা হয়। এবং এতে মানুষের আচরণ সম্পর্কে ভুল পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
No comments:
Post a Comment