তেল, মেথি ও আমলকীর ব্যবহার
১ কাপ নারকেল তেল, ১ টেবিল চামচ মেথি গুঁড়ো এবং ২ টেবিল চামচ আমলকী গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে একটি প্যানে চুলায় অল্প আঁচে জ্বাল দিন। তেল যখন বাদামী রঙ ধারণ করবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন। এই তেল চুলের গোড়ায় এবং মাথার ত্বকে ঘষে লাগান। ভালো ফল পেতে রাতে ব্যবহার করুন। সকালে উঠে চুল ধুয়ে ফেলবেন। এতে করে চুল পাকার সমস্যা দূর হবে দ্রুত।
নিয়ম করে তেল ম্যাসাজ করুন
সপ্তাহে অন্তত ২/৩ দিন তেল গরম করে মাথার ত্বকে ভালো করে ম্যাসাজ করবেন। তেল চুলের পুষ্টি জোগায় এবং চুল পেকে যাওয়া রোধে কাজ করে। চাইলে তেলে ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল ভেঙে দিতে পারেন।
শ্যাম্পু ও কন্ডিশনারের সঠিক ব্যবহার
চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছাই করুন। যে কোনো একটি শ্যাম্পু ব্যবহার করলেই চলবে না। আপনার চুলে কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিৎ তা বুঝে শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এবং শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন।
খুশকি মুক্ত রাখুন চুল
সামান্য খুশকির দেখা পেলেই সতর্ক হয়ে যান। কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল পেকে যায়। সপ্তাহে এক দিন তাজা লেবুর রস বা পেঁয়াজের রস বের করা নিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। এতে করে খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।
রোদে মাথা খোলা রেখে কাজ করবেন না
যারা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ চুলে সরাসরি রোদ লাগে তাদের চুল অল্প বয়সেই বেশ পেকে যায়। তাই রোদে কাজ করার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। মাথা ঢেকে রাখুন। এবং মাঝে মাঝে চুলকে বাতাসে শ্বাস নিতে দিন।
নানা ধরণের হেয়ার প্রোডাক্ত ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
ঘন ঘন চুলের রঙ পরিবর্তন এবং চুলে মাত্রাতিরিক্ত জেল ব্যবহারের কারণেও অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই এই সকল জিনিসের ব্যবহার সীমিত করুন। কিংবা খুব ভালো ব্র্যান্ডের হেয়ার প্রোডাক্ট ও হেয়ার প্রোটেকশন ব্যবহার করুন।
মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন
মানসিক চাপ বেশি হলে চুল পেকে যায় অল্প বয়সেই। তাই মানসিক চাপের ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকুন। যতোটা সম্ভব রিলাক্স থাকার চেষ্টা করুন। এতে করে মস্তিষ্কে চাপ কম পড়বে। ও চুল পেকে যাওয়া থাকে রেহাই পাওয়া যাবে।
No comments:
Post a Comment