এবং কর্তব্য পালনেরও সুযোগ আসে। জীবনের এই
মোক্ষম সময়ে দরকার হয় একজন উপযুক্ত সঙ্গীর। যার সঙ্গে জীবনের সুখ-দুঃখের
প্রতিটি মুহূর্ত পার করা যায়, বিশ্বস্ততার সঙ্গে হাত ধরে পথ চলা যায় চোখ
বুঁজে। এমন একটি মনের মানুষের সন্ধান পেতে সঙ্গীর আচরণের যে দিকগুলো অবশ্যই
জানতে হবে তা হলো-
মনকে বিচার করা
রূপ সৌন্দর্য অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়। কিন্তু জীবনে চলার পথে এর চেয়েও জরুরি একজন ভালো মনের মানুষ। কেননা
দৈহিক সৌন্দর্যের কদর শুধু চোখে, আর মনের সৌন্দর্যের কদর থাকে হৃদয়ে। যে
পুরুষ একজন নারীকে কেবল সৌন্দর্যের খাতিরে ভালোবাসেন, তিনি অপেক্ষাকৃত
সুন্দরীকে পেলে বর্তমান সঙ্গীকে ভুলে যাবেন নিশ্চিত। তাই সেই পুরুষ উত্তম,
যিনি দৈহিক সৌন্দর্যের বাইরে মানুষ হিসেবে আপনার মনকে প্রাধান্য দিতে
জানেন। শুধু আপনাকে নয়, পারিপার্শ্বিক অন্যান্যকে তিনি কতোটা গুরুত্ব দেন
সেটা দেখলেও আপনার আন্দাজ করতে সুবিধা হবে।
সম্পর্কের সত্যতায় বিশ্বাসী
বাস্তবে এবং আবেগে সোজা সাপটা মানুষগুলো
সঙ্গী হিসেবে খুবই ভালো হয়। আপনাকে সবার সামনে সম্মান দিতে কোনো কুণ্ঠা
থাকে না তার। নিজের সব বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গেই আপনাকে নিয়ে আলোচনা করেন।
সহধর্মীনী করে আপনার স্থান থাকে ওপরে, যা সবার সামনে এবং আড়ালে সমান থাকে।
মনের ভেতর বাহির এক
সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে পুরুষ কথায় এবং
কাজে সৎ থাকতে ভালোবাসেন, তারা অন্তত প্রতারক নন। তার ভালোবাসার সহজ প্রকাশ
থাকে। মনে জমা থাকে না কোনো ক্ষোভ, যা বলার সামনেই বলে দেন। এমন পুরুষ
পেলে চোখ বুঁজে কাটিয়ে দিন জীবনের শেষ পর্যন্ত।
ভালোবাসার অস্তিত্ব শিকার
অনেকেই আছেন, যারা নিজের প্রেমিকা বা
স্ত্রীকে আত্মীয় বা বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে লজ্জা পান, বা ইচ্ছা
করেই এটা করেন। এই ধরণের পুরুষের সম্পূর্ণ বিপরীত মানুষটাই আসলে স্বামী বা
প্রেমিক হিসাবে আদর্শ। যিনি নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকাকে কারো সাথে পরিচয়
করিয়ে দিতে বা নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করতে লজ্জিত বোধ করেন না।
পরিবারই তার সুখের ঠিকানা
যে পুরুষের সুখের একমাত্র ঠিকানা তার
পরিবার অর্থাৎ স্ত্রী, পরিজন ও সন্তানকে ঘিরে। যে পুরুষ সুখ বলতে বোঝেন
সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা। সবকিছুর ওপরে যার কাছে স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার, এমন
পুরুষকে পেয়ে যে কোন নারী জীবনই ধন্য হতে পারে।
No comments:
Post a Comment